ব্লগ্গিং করতে গালে আপনাকে কি কি শিখতে হবে ?

হ্যালো বন্ধুরা কেমন ভালোই আছেন। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন আপনারা জানতে পারবেন ব্লগ্গিং করতে গালে  কোন কোন বিষয় গুলো সম্মন্ধে শিখতে হবে। বন্ধুরা আপনারা এই ধরণের পোস্ট আর কোথাও পাবেন না সেখানে আপনাকে ব্লোগ্গিংএর সব ডিটেলস একসাস্থে পাবেন।

কোথায় আছেন first learn then earn এই কথাটি সব কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। প্রথমে আপনাকে আপনার কাজ সম্মন্ধে শিখতে হবে তারপর আপনি সেই কাজের দ্বারা ইনকাম করতে পারবেন। বব্লগ্গিং এর ক্ষেত্রে এর ব্যাতিক্রম কিছুই নয়। আপনাকে প্রথমে ব্লোগ্গিং সম্মন্ধে শিখতে হবে তারপর একটি ব্লগ আপনার ইনকাম এনে দেবে।

চলুন শুরু করা যাক


  1. how to create a blog
  2. Niche Selection
  3. keyword research
  4. Article writing
  5. seo
  6. backlink
  7. Social Sharing

এই ৬টি জিনিস সম্মন্ধে আপনাদের সাধারণ আইডিয়া হলেও থাকতে হবে। এগুলোর জাদে একটিও সম্মন্ধে কনোলজ না থাকে তাহলে আপনার ব্লগ টি হয়তো কোনোদিন র্যাংক করবে না। এখানে আপনারা সংক্ষেপে প্রাথমিক ধারণা পাবেন

1.How to Create Blog
বন্ধুরা আপনারা ব্লোগ্গিং করতে চাইছেন কিন্তু ব্লগ কিভাবে ক্রিটে করবেন ,কোথায় করবেন,কিভাবে করবেন,কোনো টাকা লাগবে কিনা? এই রকম অনেক প্রশ্ন আপনাদের মাথায় আসবে।ব্লগ আপনি ২ ভাবে তৈরি করতে পারবেন। একটি ফ্রি পদ্ধতি অপর টি পেইড পদ্ধতি। ফ্রি পদ্ধতি আপনাকে অনেককিছু থাকে বঞ্চিত রাখে যেমন seo plugin ,wp rocket ইত্যাদি। এইগুলো শুধু মাত্র আপনি পেইড পদ্ধতিতে ব্যবহার করতে পারবেন। এইগুলো আপনার seo এবং ওয়েবসাইট লোডিং স্পিড এ সাহায্য করে থাকে। ফ্রি ব্লগ্গিং এ কিভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করেবন এখন থাকে জানুন

2.Niche Selection
সাইট তৈরি করার ইচ্ছে থাকলেই ব্লোগ্গিং করা যায়না আপনাকে প্রথমে ভাবতে হবে কোন নিচে এ আপনি আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করবেন। নিচে বলতে ব্লোগ্গিং এর ভাষায় টপিকেই বোঝাই। অনেকেরই কিছু বিষয়ে এক্সপার্ট হয়ে থাকে যেমন কেউ হয়তো মোবাইল এ এক্সপার্ট হয়ে থাকে আবার কেউ টেকনোলজি ডিসকভার করতে ভালোবাসে ,মোবাইল এক্সপার্ট তার মোবাইল রিলেটেড ব্লগ তৈরি করতে পারবে এবং টেকনোলজি ইনভেন্টেড ব্লগ তৈরি করতে পারে। যারা ভাবছেন কোনো নিচে পাচ্ছেন না তারা ইন্টারনেট এ দেখুন কোন টপিক এ বা কোন নিচে এখন বেশি করে লোক সার্চ করছে সেই মতো ওয়েবসাইট তৈরি করুন। আপনারারা google trend এ গিয়ে দেখতে পারেন কোন টপিক এ এখন বেশি সার্চ হচ্ছে।

3.Keyword Research
নিচে সিলেকশন করে নিলেন ওয়েবসাইট তৈরি করে নিলেন আবার ভাববেন আপনার সাইট এ কোন কোন ধরণের আর্টিকেল লিখবেন বা এত টপিক কোথায় পাবেন যেগুলো লিখবেন। এখন আসে keyword এর ভূমিকা। বন্ধুরা keyword হলো আমরা যা ডেইলি লাইফ এ গুগল এ সার্চ করি সেগুলো সব এক একটি কীওয়ার্ড যেমন আপনি গুগল এ সার্চ করলেন how to create a blog এটি একটি কীওয়ার্ড। আপনার নিচে রিলেটেড কীওয়ার্ড নেক পায়ে যাবেন তার জন্য আপনাকে কোনো ফ্রি keyword টুল এ গিয়ে সার্চ করতে হবে। এইভাবে আপনি একটি নিচের উপর অনেক ধরণের কীওয়ার্ড পায়ে যাবেন। নিচে কিছু keyword এর উদাহরণ দেয়া হলো

how to create a blog
create blog
how to create free blog
4. Article Writing
কীওয়ার্ড সিলেক্ট করে নিলেন আবার পরের ধাপ article writing। ভয় পাবেন এটি কিন্তু খুব সোজা ,অনেকের মনে আস্তে পারে কোন ধরণের আর্টিকেল লিখতে হবে ,কি লিখতে হবে? বন্ধুরা আমরা যেরকম স্কুলের এক্সাম দেয়ার সময় আনসার লিখতাম ঠিক সেইরকম ভাবে আর্টিকেল লিখতে হবে। আর্টিকেল লেখার আগে আপনার কীওয়ার্ড টি গুগল এ সার্চ করলেন প্রথম ১০ টি যে রেজাল্ট আসবে সেই রেজাল্ট গুলো কে ভালোভাবে রিড করলেন তারপর সেখান থাকে কিছু আইডিয়া নিয়ে নিয়ে আর্টিকেল লিখবেন। মনে রাখবেন কোনো ওয়েবসাইট থাকে কপি করবেন না তাহলে google এর পেনাল্টি লাগে যাবে। যদি একবার penalty লাগে তাহলে আপনার সাইট কোনোদিন rank করবে না। আপনাকে unique আর্টিকেল লিখতে হবে। আপনি চেষ্টা করবেন আপনার কীওয়ার্ড এর টপ ১০ রেজাল্ট এর article এর থাকে এক্সট্রা কিছু অ্যাড করতে।

5.Seo
SEO কথার অর্থ হচ্ছে Search Engine Optimization . এতো কিছু করার পরে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের seo করতে হবে অর্থাৎ গুগল আপনার সাইট টিকে আমার আপনার মতো ভিজ্যুয়াল দেখতে পাইনা সে coding আকারে আপনার সাইট টিকে দেখতে পাই।আপনার সাইট টিকে গুগলের bot এর উপযোগী করে তুলতে হবে যাতে সে আপনার সাইট টিকে একটি trusted source হিসাবে দেখে।seo মধ্যে ২ রকমের ভাগ আছে
১.on page seo
২.off page seo .
১.on page seo : এখানে আপনাকে পোস্ট এ কীওয়ার্ড অ্যাড করতে হবে, ইন্টারনাল লিঙ্কিং করতে হবে ,একটি উৎবয়ান্ড লিংক দিতে হবে,লসি কীওয়ার্ড দিতে হবে।
২.off page seo : এখানে আপনাকে ব্যাকলিংক ফোরাম সাবমিশন ইত্তাদি করতে হবে.

6.Backlink:
ব্যাকলিংক মানে হলো জাদে অন্য কোনো ওয়েবসাইট আপনাকে তার সাইট এ একটি লিংক দেয় তাহলে সেটি ব্যাকলিংক বলে মান্না হবে। যদি ওই লিংক এর মাধ্যমে কেউ আপনার সাইট এ আসে তাহলে সেটি আপনার শীতের জন্য একটি ব্যাকলিংক count করা হবে। আপনারা যত ব্যাকলিংক তৈরি করবেন গুগলের কাছে আপনার সাইট টি ট্রাস্টেড হয়ে যাবে যার ফলসরূপ আপনার rank increase হবে। ব্যাকলিংক অনেক প্রকারের হয় যেমন

Comment Backlink
Forum Backlink
Geust Post Backlink
Profile Backlink
Directory Submission etc.
7. Social Sharing :
আপনার পোস্ট গুলিকে সোশ্যাল শেয়ারিং করতে হবে। প্রথমে আর্টিকেল লিখলে সুযোগ খুব কম থাকে খুব শিগ্রই র্যাংকিং করা আর সেই সময় social sharing একটি যাবৎ method যার সাহায্যে আপনি প্রথমে ভিসিটর্স পাবর্ন। একবার সোশ্যাল শেয়ারিং এর মাধ্যমে ভিসিটর্স আস্তে থাকলে আপনি গুগল র্যাংকিং পায়ে যাবেন। আপনি একটি গ্রুপ খুলুন ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম টুইটার পিন্টারেস্ট ইত্যাদিতে শেয়ার করতে থাকুন আপনার আর্টিকেল খুব সহজে র্যাংক করে যাবে এবং আপনি ভিসিটর্স পাবেন।

শেষ কথা : বন্ধুরা এই জিনিস গুলো সন্মন্ধে আপনারা কনোলজ বাড়ান কারণ এই জিনিস গুলোই আপনাকে সাহায্য করবে ব্লোগ্গিং লাইফ এ সাফল্ল পটে। কোনো রকম অবিধে হলে কমেন্টের মাধ্যমে জানান এবং এটি ক share করুন যারা জানে তাদের ক জানার সুযোগ করে দিন।
আপনারা আজ থাকে সবগুলো প্রাকটিস করতে থাকুন দেখবেন একদিন সাফল্ল পাবেন।

Comments

Popular posts from this blog

Keyword Research kivabe korben

কম সময়ে স্টুডেন্টদের ইনকাম করার উপায়