Keyword Research kivabe korben

keyword রিসার্চ হলো blogging এর main part কারণ এই কীওয়ার্ড উপর বসে করে আপনার লেখা কোনো পোস্ট টি rank করবে। আপনারা আগের প্রতিবেদন এ কীওয়ার্ড সমন্ধে কিছু তা হলেও বুঝতে পারছেন আশা করছি। যারা এখনো প্রতিবেনডানতী পড়েননি তাদের কোনো চিন্তা নাই কারণ এখানে আপনারা keyword research সম্মন্ধে টোটাল গাইড পাবেন। যারা পড়েছেন আপনাদের বলছি আপনারা ভাববেন না আপনাদের সময় নষ্ট হলো ,আপনারা keyword সম্মন্ধে কিছু তা হালাল আগে থাকে আঁচ করতে পেরেছেন কীওয়ার্ড জিনিস তা কি। চলুন শুরু করা যাক।
Keyword কি ?
নিত্তদিনের প্রয়োজনীয় ০যা সকল জিনিস google সার্চ করে থাকে সেই গুলো কে blogging এর ভাষায় keyword বলা হয়ে থাকে। উদাহরণস্বরুপ আমি গুগল এ সার্চ করলাম হয়ে তো ড কীওয়ার্ড রিসার্চ ,তো এটি একটি হলো কীওয়ার্ড রিসার্চ। বন্ধুরা একটি টপিক এর ওপর অনেক ধরণের keyword সার্চ করা হয়ে থাকে যেমন
১. how to do keyword research
২.কীওয়ার্ড রিসার্চ
৩.how to do keyword research for blog ইত্যাদি।
.
keyword কয় প্রকারের হয়ে থাকে?
বন্ধুরা keyword এর ভাগ অনেক blogger অনেক রকম করে থাকে কিন্তু আমার blogging এক্সপিরিয়েন্স অনুসারে আমি কীওয়ার্ড কে ৪ভাগে ভাগ করে থাকি যথা
১.Informational Keyword
২.Investigating Keyword
৩.Commersial keyword
৪.Navigational Keyword
এক একটি কীওয়ার্ড সমন্ধে জানে নেই।

১.Informational Keyword

এর নামের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে এর অর্থ। এই ধরণের keyword আমরা কোনো জিনিসের information বা তথ্য বের করতে ব্যাবহারকরে থাকি যেমন হhow to do keyword research for blog এটি একটি ইনফর্মাশনাল keyword .এখানে আমরা ওই কীওয়ার্ড সম্মন্ধে জানতে চাইছি যে কিভাবে কীওয়ার্ড রিসার্চ করবেন। এই কীওয়ার্ড চেনার আর একটি উপায় হলো যেসব কীওয়ার্ড এ how .what ,হোয়,হোইচ,এইসব যুক্ত থাকে সেই সব keyword গুলো কে informational keyword বলা হয়ে থাকে। এই কীওয়ার্ড গুলো লোক প্রচুর পরিমানে ডেইলি সার্চ করে থাকে এবং এই কীওয়ার্ড এর commpetition কম হয়ে থাকে। এই ধরণের কীওয়ার্ড যারা প্রথম blogging শুরু করেছেন তাদের জন্য ভালো।

২.investigating Keyword

এই ধরণের কীওয়ার্ড আমরা সাধারণত খনন জিনিসের সম্মন্ধে ইনভেস্টিগেট বা সঠিক তত্থ জানার জন্য ব্যাবহার করে থেকে যেমন এই ধরণের একটি কীওয়ার্ড হলো best phone under ৭০০০। এখানে এই কীওয়ার্ড তীর মাধ্যমে আমরা ভালো ফোন এর তত্থ জানতে পারি। এই ধরণের keyword চেনার উপায় হলো best ,top ,update,new ,latest ইত্যাদি যুক্ত থাকা। এই ধরণের কিওর্ড এর সার্চ মিডিয়াম এ থাকে এবং এদের কম্পেটিশন বেশি হয়ে থেকে। এই ধরণের keyword সকলব্লগ্গের পক্ষে ভালো। আপনারা এই ধরণের কীওয়ার্ড target করতে পারেন।

৩Transactional Keyword

এই ধরণের কীওয়ার্ড reviews ,coupons ,offers ইত্তাদি জন্য ব্যবহার করে হয়ে থাকে। যেমন realme ৩ reviews .এই ধরণের কীওয়ার্ড আর সার্চ করে থাকেন তাদের মাথায় এটাই থাকে তারা রিভিউ দেখে ফোন কিনবে সেই জন্য এই ধরণের কীওয়ার্ড থাকে ইনকাম বেশি হয়ে থাকে। এর সার্চক্ষুব কম হয়ে থাকে কিন্তু commpetion খুব বেশি হয়.আমি বলবো প্রথমে আপনারা এই ধরণের কীওয়ার্ড এ কোনো ব্লগ করবেন না। প্রথমে আপনারা যেকোনো একটি blog এ সফল পান তারপর এই ধরণের keyword আপনারা টার্গেট করবেন। এই keyword seo expert দেড় জন্য ভালো।

৪.Nevigational Keyword

এই ধরণের কীওয়ার্ড barnded হয়ে থাকে যেমন amazon, flipkart এর কীওয়ার্ড। এই ধরণের কীওয়ার্ড সার্চ average হয়ে থাকে এবং কম্পেশন ভেরি হাই থাকে। রি ধরণের কীওয়ার্ড টার্গেট জাদে করে থাকেন থামলে আপনি র্যাংক করতে পারবেন না। এই keyword থাকে ইনকাম average হয়ে থাকে।

keyword এর খুঁটিনাটি

শুধু একটি keyword সিলেক্ট করলেই আপনার ব্লগ rank করবে কিনা তার কোনো গেরান্টি নেই কারণ প্রথমে আপনাকে কম সার্চ করা কীওয়ার্ড খুঁজতে হবে এবং সেটিকে টার্গেট করতে হবে। এখানে আপনি জানবেন keyword এর search volume কি? কিসের সাহায্যে করবেন keyword find ,কোন ধরণের কীওয়ার্ড টার্গেট করবেন।
search volume : search volume বলতে বোঝাই একটি কীওয়ার্ড কে মাসে কত বার সার্চ করা হয়ে থাকে। search volume বেশি হলে ভাববেন না সেই কীওয়ার্ড টি আপনার blog এর পক্ষে best কারণ হতে পারে সেই keyword এ অন্য কোনো ওয়েবসাইট আগে থাকে রrank করছে ,তাহলে আপনি গুগলের ফার্স্ট পেজে র্যাংক করতে পারবেন না। যার জন্য আপনাকে ওই কীওয়ার্ড এর অনুরূপ কীওয়ার্ড সার্চ করতে হবে যার সার্চ ভলিউম মিনিমাম ১০০০ থাকে শুরু এবং কীওয়ার্ড এর কম্পিটিশন ১০ এর মধ্যে।
Keyword Find কিভাবে করবেন : কীওয়ার্ড ফাইন্ড আপনাদের কিছু tools এর ব্যবহার করতে হবে। আপনি ম্যানুয়ালি কীওয়ার্ড ফাইন্ড করতে পারবেন কিন্তু সেখানে আপনি কীওয়ার্ড ভলিউম পাবেন না এর ফালসারূপ আপনি কম সার্চ ভলিউম কীওয়ার্ড কোনটি বুঝতে পারবেন না। কীওয়ার্ড টুল গুলি পেইড আছে আবার কিছু ফ্রি তে ব্যবহার করতে পারবেন। ফ্রি কীওয়ার্ড টুল হলো ubersuggest, keywordtool.io ইত্যাদি আবার পেইড tool গুলো হলো ahref,semrush ইত্যাদি।যদি আপনি বেগ্গিনের হন তাহলে ফ্রি টুল উসে করে কম সার্চ ভলিউম ও কম কম্পেটিশন keyword খুজুন।
কোন ধরণের কীওয়ার্ড টার্গেট করবেন : কীওয়ার্ড টার্গেট ক্ষেত্রে কিছু rules ফলো করতে হবে আপনাদের। ৩ রকমের কীওয়ার্ড কে টার্গেট করা হয়ে থাকে যথা
১. short Keyword : এই ধরণের কীওয়ার্ড ১টি অথবা ২টি শব্দের হয়ে থাকে যেমন diet plan
২.Medium Keyword : এই ধরণের কীওয়ার্ড ৩ অথবা ৪ শব্দের হয়ে থাকে যেমন men diet plan
৩.Long tail Keyword : এই ধরণের কীওয়ার্ড গুলো বারো হয়ে থাকে যেমন best diet plan for man
কীওয়ার্ড টার্গেট এর ক্ষেত্রে আপনারা long tail keyword ফাইন্ড করুন এবং টার্গেট করুন।
আর এক ধরণের keyword হয়ে থাকে জাতি হলো LSI Keyword ,এর অর্থ হলো Latent semantic indexing. এই ধরণের কীওয়ার্ড একটি হলেও আপনার blog post এ দিতে হবে কারণ এই কীওয়ার্ড এর মাধ্যমে গুগল এর কাছে একটি সিগন্যাল যাই আপনার ব্লগ পোস্ট টি কোন টপিক এর উপর। এই কীওয়ার্ড ফাইন্ড করার জন্য একটি ভালো ওয়েবসাইট আছে যার নাম হলো lsigraph.com এখানে আপনি ফ্রি তে lsi keyword find করতে পারবেন।
শেষ কথা : আশা করছি কীওয়ার্ড সম্পর্কিত এই পোস্ট ভালো লাগবে আপনাদের। এখানে বলা সব রুলস ফলো করবেন দেখবেন আপনার কীওয়ার্ড ধীরে ধীরে র্যাংক করবে। এই পোস্টটিকে শেয়ার করবেন আপনার বন্ধু ,বান্ধবী,আত্বিয় সাথে। কীওয়ার্ড সম্মন্ধে কোনো কস্টিং থাকলে কমেন্ট করুন আপনাকে আনসার দিয়ে গাইড করে দেয়া হবে

Comments

Popular posts from this blog

ব্লগ্গিং করতে গালে আপনাকে কি কি শিখতে হবে ?

কম সময়ে স্টুডেন্টদের ইনকাম করার উপায়