backlinks ki? kivabe backlinks creat korben?
quotesnow এর আজকের প্রতিবেদনটি হলো ব্যাকলিংক কি ? ব্যাকলিংক কয় প্রকারের হয়ে থাকে ? ব্যাকলিংকস কিভাবে গুগল এ ইনডেক্স হয় ইত্যাদি সম্বন্ধীয়। যদি ব্যাকলিংকস সম্মন্ধে জানার ইচ্ছে থাকে তাহলে পোস্টটি পুরোটি পড়বেন।
google এর first পেজ এ রাঙ্ক করার জন্য আপনাকে ব্যাকলিংক তৈরি করতেই হবে। অনেকেই বলে থাকে যদি আপনি কনটেন্ট ভালো লিখে থাকেন তাহলে আপনার ব্যাকলিংক এর দরকার হবে না ,এইটি কিন্তু সম্পূর্ণ ভুল কথা। আপনি কনটেন্ট যত ভালোই লিখুন না কোনো আপনার টপিক বা নিচের ওপর যদি কম্পেটিশন বেশি বা মোটামুটি থাকে তাহলে আপনাকে ব্যাকলিংক বানাতেই হবে কারণ Backlink is the key to rank your blog on google.
ব্যাকলিংকস কি ?
ব্যাকলিংকস বলতে বোঝাই যদি অন্য কোন ওয়েবসাইট আপনারা সাইটকে কোনো লিংক দিয়ে থাকে যার সাহায্যে কোনো ভিসিটর্স আপনার ওয়েবসাইট এ আসতে পারবে বা আপনার ওয়েবসাইট থাকে আপনি অন্য কাউকে লিংক দিয়েছেন। ব্যাকলিংকস কিন্তু google এর একটি ranking signals কারণ যে সাইট আপনাকে লিংক দিয়েছে সে মনে করে আপনার সাইটটি ট্রাস্টেড এবং আপনার কনটেন্ট ভ্যালুএবলে। ভালো মানের ব্যাকলিংকস আপনার সাইটের রাঙ্কিং পসিশন বাড়িয়ে দিতে পারে।
ব্যাকলিংকস কয় প্রকারের?
ব্যাকলিংকস কে ২ ভাগে ভাগ করা যাই যথা
১.Dofollow : এই ধরণের ব্যাকলিংকস আপনার সাইট কে রেকমেন্ড করে থাকে google এর কাছে যে এখানে ভালো মানের কনটেন্ট রয়েছে বা আপনার সাইট টি একটি ট্রাস্টেড সাইট। এই ব্যাকলিংকস আপনার ranking কে ইনক্রিয়াসে করতে সাহায্য করে থাকে। dofollow ব্যাকলিংকস যদি কোনো high authority ডোমেইন থাকে আসে তাহলে আপনি আপনার সাইটের ranking এর পার্থক্য বুঝতে পারবেন।
২.Nofollow : এই ব্যাকলিংকস আপনার সাইট কে কোনো মূল্য দেয়না অর্থাৎ যাই সাইট থেকে আপনার সাইট এ nofollow লিংক আসে সে সাইট আপনার সাইট টিকে google এর কাছে ignore করার জন্য বলে থাকে।আপনাদের মনে হতে পারে তাহলে nofollow link এর কোনো দরকার নাই জাদে এরকম ভাবে থাকেন তাহলে ভুল ভাবছেন। একটি ব্লগ রাঙ্ক করার জন্য আপনার ৭০% dofollow এবং ৩০% nofollow linker প্রয়োজন।
ব্যাকলিংকস কিভাবে ইনডেক্স হয় ?
ব্যাকলিংকস গুগল এ তখন এ ইনডেক্স হবে যখন আপনার সাইট এ অন্য সাইট থাকে যে লিংক টি আসছে বা আপনি যে সাইট লিংক দিচ্ছেন সেই লিংকের মাধ্যমে কোনো ভিসিটর আসছে বা যাচ্ছে।
কত ধরণের ব্যাকলিংকস তৈরি করা সম্ভব ?
ব্যাকলিংকস অনেক ভাবে নেয়া যাই। আবার অনেকেই ব্যাকলিংকস কিনে থাকে। ব্যাকলিংক আপনি ৫$ ওর ১০$ বা তার বেশি টাকা দিয়ে কিনতে পারেন fiver বা ফ্রীল্যান্স ওয়েবসাইট থাকে। যারা নতুন হয়ে থাকেন blogging এ তাদের ক্ষেত্রে টাকা সম্যসা হয়ে থাকে ব্যাকলিংকস কেনার জন্য,যাদের এই ধরণের সম্যসা রয়েছে তাদের বলছি আপনি এই আর্টিকেলটি পুরো পড়ুন আপনার ব্যাকলিংকস এর জন্য কোনো টাকা খরচ করতে হবে না।
আমরা এখানে ৫ রকমের ব্যাকলিংকস এর নিয়ে আলোচনা করবো, সেগুলো হলো
১.comment backlinks
২.directory submission
৩.guest post
৪.pbn backlink
৫.web ২.o
চলুন এক এক করে আলোচনা করা যাক এই ব্যাকলিংক গুলো সম্মন্ধে।
১.commenting backlinks: এই ব্যাকলিংকস টি ওয়েবসাইট এ কমেন্ট করে পাওয়া যাই। আপনি প্রথমে আপনার সাইট রিলেটেড ওয়েবসাইট খুজুন এবং একটি তার পোস্ট এ গিয়ে কমেন্ট সেকশন এ আপনার নাম ,ইমেইল,ওয়েবসাইট নাম এবং কমেন্ট বাক্স এ কিছু লিখে দিয়ে কমেন্ট করে দিন.যদি ওয়েবসাইট এর অয়নের আপনার কমেন্ট টিকে আপ্প্রভ করে থামলে আপনি তার সাইট থাকে একটি ব্যাকলিংক পায়ে যাবেন। মনে রাখবেন একটি সাইট থাকে আপনার সাইট এ একটি লিংক নেবেন নাহলে গুগল আপনার সাইট টিকে panalized করে দিতে পারে ,একবার panalized হয়ে গালে আপনার সাইট কোনো দিন র্যাংক করবে না।
২.Directory submission: এটি নেয়ার জন্য আপনাকে গুগল এ ডিরেক্টরি সাবমিশন সাইট লিখে সার্চ করতে হবে। আপনি এই রকম অনেক সাইট পায়ে যাবেন সেখানে গিয়ে আপনার জিমেইল ঈদ দিয়ে একটি একাউন্ট ক্রিটে করুন এবং আপনার যে আর্টিকেল তীর জন্য ব্যাকলিংক নিতে চাইছেন সেই লিংক টি ওখানে পেস্ট করে দিন এভাবেই আপনি একটি ব্যাকলিংক পায়ে যাবেন। মনে রাখবেন একটি সাইট থাকে আপনার সাইট এ একটি লিংক নেবেন নাহলে গুগল আপনার সাইট টিকে panalized করে দিতে পারে ,একবার panalized হয়ে গালে আপনার সাইট কোনো দিন র্যাংক করবে না।
৩.Guest Post : এর মাধ্যমে ব্যাকলিংকস নেয়া একটু কঠিন হতে পারে আপনার জন্য কারণ এর আগে যে প্রসেস গুলো ছিল সেখানে আপনি নিজে লিংক পেস্ট করে ব্যাকলিংক নিতে পারতেন,কিন্তু এখানে একটু আলাদা।এই ব্যাকলিঙ্ক নেয়ার জন্য আপনাকে আপনার সাইট রিলেটেড গেস্ট পোস্ট দেয়া ওয়েবসাইট এ আপনাকে একটি একাউন্ট তৈরি করতে হবে এবং সেই শীতের এর জন্য একটি আর্টিকেল লিখতেই হবে। আপনার লেখা আর্টিকেল কোনো একটি আসে আপনার যে পোস্ট এ ব্যাকলিংক নিতে চান সেই পাট এর লিংক পেস্ট করে দিন। আবার আপনার ওয়েবসাইট রিলেটেড কোনো সাইট এর অয়নের এর সাথে কন্টাক্ট করুন এবং তাকে রাজি কোরান একটি গেস্ট পোস্ট এর জন্য।
৪.Pbn : Pbn কথার অর্থ হলো private blogging network. এই পদ্ধতিতে আপনার জাদে একাদিক ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি ব্যাকলিংক নিতে পারবেন। জাদে অপার একাধিক ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি কোনো পোস্ট এ আপনার অন্য ওয়েবসাইট এর লিংক টিকে পেস্ট করে দিন তাহলে আপনি একটি ব্যাকলিংক পায়ে যাবেন। এই পদ্ধতিতে আপনার রাংকিং ইনক্রিয়াসে হয়ে যেতে পারে। আমি এই লিংকটিকে রেকমেন্ড করি না কারণ এই লিংক googler সামনে আসলে আপনার ওয়েবসাইট যাকে panalyzed করে দেবে যার জন্য আপনি আপনি আর র্যাকিং পাবেন না। শুধুমাত্র আপনাদের বোঝানোর জন্য এই লিংকটি সম্মন্ধে বললাম।
৫.Web ২.o : এই ব্যাকলিংক নেয়ার জন্য আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট রিলেটেড আর এক বা একাধিক ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। আপনি blogger বা wix বা tumbler এর সাহায্যে একটি করে ওয়েবসাইট ক্রিটে করবেন এবং সব গুলিতে একই টপিক এর উপর আর্টিকেল লিখবেন তবে
একটির থাকে উন্নতিকে কপি করবেন না। একই টপিক এর ওপর ভিন্ন ভিন্ন আর্টিকেল লিখবেন আপনার রিয়েল ওয়েবসাইট এর লিংক সেই আর্টিকেল এর মধ্যে দিয়ে দিবেন। এভাবে আপনি একটি ব্যাকলিংক পায়ে যাবেন
ব্যাকলিংকস অনেক ভাবেই নেয়া যাই। অনেক ক্ষেত্রে ব্যাকলিংকস পাওয়াটা একটু কঠিন হয়ে থাকে কারণ অনেক ওয়েবসাইট অওনের আপনাকে ব্যাকলিংক দিতে চাইনা বা যারা ব্যাকলিংক দিতে চাই তারা কিছু টাকা চার্জ করে থাকে। এখানে যে ধরণের ব্যাকলিংকস এর কথা বলা হবে সেই ব্যাকলিংকস আপনি নিজে থাকে তৈরি করতে পারবেন। ব্যাকলিংকস আদান প্রদানের সব থাকে ভালো নিয়ম হচ্ছে আপনার সাইট এর রিলেটেড কোনো ওয়েবসাইট থাকে যদি লিংক নিতে পারেন সেটি আপনার সাইট এর ranking boost করতে পারে।
শেষ কথা : আশা করছি বন্ধুরা আপনারা ব্যাকলিংক কিভাবে তৈরি করতে ওই তার সম্মন্ধে একটু হলেও ধারণা করতে পেয়েছেন।আপনাদের যদি কোনো রকম সম্যসা থাকে বা আপনাদের কোথাও বুঝতে অবিধে হলে কমেন্ট করে জানাবেন। এই যেটিকে টিকে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
google এর first পেজ এ রাঙ্ক করার জন্য আপনাকে ব্যাকলিংক তৈরি করতেই হবে। অনেকেই বলে থাকে যদি আপনি কনটেন্ট ভালো লিখে থাকেন তাহলে আপনার ব্যাকলিংক এর দরকার হবে না ,এইটি কিন্তু সম্পূর্ণ ভুল কথা। আপনি কনটেন্ট যত ভালোই লিখুন না কোনো আপনার টপিক বা নিচের ওপর যদি কম্পেটিশন বেশি বা মোটামুটি থাকে তাহলে আপনাকে ব্যাকলিংক বানাতেই হবে কারণ Backlink is the key to rank your blog on google.
ব্যাকলিংকস কি ?
ব্যাকলিংকস বলতে বোঝাই যদি অন্য কোন ওয়েবসাইট আপনারা সাইটকে কোনো লিংক দিয়ে থাকে যার সাহায্যে কোনো ভিসিটর্স আপনার ওয়েবসাইট এ আসতে পারবে বা আপনার ওয়েবসাইট থাকে আপনি অন্য কাউকে লিংক দিয়েছেন। ব্যাকলিংকস কিন্তু google এর একটি ranking signals কারণ যে সাইট আপনাকে লিংক দিয়েছে সে মনে করে আপনার সাইটটি ট্রাস্টেড এবং আপনার কনটেন্ট ভ্যালুএবলে। ভালো মানের ব্যাকলিংকস আপনার সাইটের রাঙ্কিং পসিশন বাড়িয়ে দিতে পারে।
ব্যাকলিংকস কয় প্রকারের?
ব্যাকলিংকস কে ২ ভাগে ভাগ করা যাই যথা
১.Dofollow : এই ধরণের ব্যাকলিংকস আপনার সাইট কে রেকমেন্ড করে থাকে google এর কাছে যে এখানে ভালো মানের কনটেন্ট রয়েছে বা আপনার সাইট টি একটি ট্রাস্টেড সাইট। এই ব্যাকলিংকস আপনার ranking কে ইনক্রিয়াসে করতে সাহায্য করে থাকে। dofollow ব্যাকলিংকস যদি কোনো high authority ডোমেইন থাকে আসে তাহলে আপনি আপনার সাইটের ranking এর পার্থক্য বুঝতে পারবেন।
২.Nofollow : এই ব্যাকলিংকস আপনার সাইট কে কোনো মূল্য দেয়না অর্থাৎ যাই সাইট থেকে আপনার সাইট এ nofollow লিংক আসে সে সাইট আপনার সাইট টিকে google এর কাছে ignore করার জন্য বলে থাকে।আপনাদের মনে হতে পারে তাহলে nofollow link এর কোনো দরকার নাই জাদে এরকম ভাবে থাকেন তাহলে ভুল ভাবছেন। একটি ব্লগ রাঙ্ক করার জন্য আপনার ৭০% dofollow এবং ৩০% nofollow linker প্রয়োজন।
ব্যাকলিংকস কিভাবে ইনডেক্স হয় ?
ব্যাকলিংকস গুগল এ তখন এ ইনডেক্স হবে যখন আপনার সাইট এ অন্য সাইট থাকে যে লিংক টি আসছে বা আপনি যে সাইট লিংক দিচ্ছেন সেই লিংকের মাধ্যমে কোনো ভিসিটর আসছে বা যাচ্ছে।
কত ধরণের ব্যাকলিংকস তৈরি করা সম্ভব ?
ব্যাকলিংকস অনেক ভাবে নেয়া যাই। আবার অনেকেই ব্যাকলিংকস কিনে থাকে। ব্যাকলিংক আপনি ৫$ ওর ১০$ বা তার বেশি টাকা দিয়ে কিনতে পারেন fiver বা ফ্রীল্যান্স ওয়েবসাইট থাকে। যারা নতুন হয়ে থাকেন blogging এ তাদের ক্ষেত্রে টাকা সম্যসা হয়ে থাকে ব্যাকলিংকস কেনার জন্য,যাদের এই ধরণের সম্যসা রয়েছে তাদের বলছি আপনি এই আর্টিকেলটি পুরো পড়ুন আপনার ব্যাকলিংকস এর জন্য কোনো টাকা খরচ করতে হবে না।
আমরা এখানে ৫ রকমের ব্যাকলিংকস এর নিয়ে আলোচনা করবো, সেগুলো হলো
১.comment backlinks
২.directory submission
৩.guest post
৪.pbn backlink
৫.web ২.o
চলুন এক এক করে আলোচনা করা যাক এই ব্যাকলিংক গুলো সম্মন্ধে।
১.commenting backlinks: এই ব্যাকলিংকস টি ওয়েবসাইট এ কমেন্ট করে পাওয়া যাই। আপনি প্রথমে আপনার সাইট রিলেটেড ওয়েবসাইট খুজুন এবং একটি তার পোস্ট এ গিয়ে কমেন্ট সেকশন এ আপনার নাম ,ইমেইল,ওয়েবসাইট নাম এবং কমেন্ট বাক্স এ কিছু লিখে দিয়ে কমেন্ট করে দিন.যদি ওয়েবসাইট এর অয়নের আপনার কমেন্ট টিকে আপ্প্রভ করে থামলে আপনি তার সাইট থাকে একটি ব্যাকলিংক পায়ে যাবেন। মনে রাখবেন একটি সাইট থাকে আপনার সাইট এ একটি লিংক নেবেন নাহলে গুগল আপনার সাইট টিকে panalized করে দিতে পারে ,একবার panalized হয়ে গালে আপনার সাইট কোনো দিন র্যাংক করবে না।
২.Directory submission: এটি নেয়ার জন্য আপনাকে গুগল এ ডিরেক্টরি সাবমিশন সাইট লিখে সার্চ করতে হবে। আপনি এই রকম অনেক সাইট পায়ে যাবেন সেখানে গিয়ে আপনার জিমেইল ঈদ দিয়ে একটি একাউন্ট ক্রিটে করুন এবং আপনার যে আর্টিকেল তীর জন্য ব্যাকলিংক নিতে চাইছেন সেই লিংক টি ওখানে পেস্ট করে দিন এভাবেই আপনি একটি ব্যাকলিংক পায়ে যাবেন। মনে রাখবেন একটি সাইট থাকে আপনার সাইট এ একটি লিংক নেবেন নাহলে গুগল আপনার সাইট টিকে panalized করে দিতে পারে ,একবার panalized হয়ে গালে আপনার সাইট কোনো দিন র্যাংক করবে না।
৩.Guest Post : এর মাধ্যমে ব্যাকলিংকস নেয়া একটু কঠিন হতে পারে আপনার জন্য কারণ এর আগে যে প্রসেস গুলো ছিল সেখানে আপনি নিজে লিংক পেস্ট করে ব্যাকলিংক নিতে পারতেন,কিন্তু এখানে একটু আলাদা।এই ব্যাকলিঙ্ক নেয়ার জন্য আপনাকে আপনার সাইট রিলেটেড গেস্ট পোস্ট দেয়া ওয়েবসাইট এ আপনাকে একটি একাউন্ট তৈরি করতে হবে এবং সেই শীতের এর জন্য একটি আর্টিকেল লিখতেই হবে। আপনার লেখা আর্টিকেল কোনো একটি আসে আপনার যে পোস্ট এ ব্যাকলিংক নিতে চান সেই পাট এর লিংক পেস্ট করে দিন। আবার আপনার ওয়েবসাইট রিলেটেড কোনো সাইট এর অয়নের এর সাথে কন্টাক্ট করুন এবং তাকে রাজি কোরান একটি গেস্ট পোস্ট এর জন্য।
৪.Pbn : Pbn কথার অর্থ হলো private blogging network. এই পদ্ধতিতে আপনার জাদে একাদিক ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি ব্যাকলিংক নিতে পারবেন। জাদে অপার একাধিক ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি কোনো পোস্ট এ আপনার অন্য ওয়েবসাইট এর লিংক টিকে পেস্ট করে দিন তাহলে আপনি একটি ব্যাকলিংক পায়ে যাবেন। এই পদ্ধতিতে আপনার রাংকিং ইনক্রিয়াসে হয়ে যেতে পারে। আমি এই লিংকটিকে রেকমেন্ড করি না কারণ এই লিংক googler সামনে আসলে আপনার ওয়েবসাইট যাকে panalyzed করে দেবে যার জন্য আপনি আপনি আর র্যাকিং পাবেন না। শুধুমাত্র আপনাদের বোঝানোর জন্য এই লিংকটি সম্মন্ধে বললাম।
৫.Web ২.o : এই ব্যাকলিংক নেয়ার জন্য আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট রিলেটেড আর এক বা একাধিক ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। আপনি blogger বা wix বা tumbler এর সাহায্যে একটি করে ওয়েবসাইট ক্রিটে করবেন এবং সব গুলিতে একই টপিক এর উপর আর্টিকেল লিখবেন তবে
একটির থাকে উন্নতিকে কপি করবেন না। একই টপিক এর ওপর ভিন্ন ভিন্ন আর্টিকেল লিখবেন আপনার রিয়েল ওয়েবসাইট এর লিংক সেই আর্টিকেল এর মধ্যে দিয়ে দিবেন। এভাবে আপনি একটি ব্যাকলিংক পায়ে যাবেন
ব্যাকলিংকস অনেক ভাবেই নেয়া যাই। অনেক ক্ষেত্রে ব্যাকলিংকস পাওয়াটা একটু কঠিন হয়ে থাকে কারণ অনেক ওয়েবসাইট অওনের আপনাকে ব্যাকলিংক দিতে চাইনা বা যারা ব্যাকলিংক দিতে চাই তারা কিছু টাকা চার্জ করে থাকে। এখানে যে ধরণের ব্যাকলিংকস এর কথা বলা হবে সেই ব্যাকলিংকস আপনি নিজে থাকে তৈরি করতে পারবেন। ব্যাকলিংকস আদান প্রদানের সব থাকে ভালো নিয়ম হচ্ছে আপনার সাইট এর রিলেটেড কোনো ওয়েবসাইট থাকে যদি লিংক নিতে পারেন সেটি আপনার সাইট এর ranking boost করতে পারে।
শেষ কথা : আশা করছি বন্ধুরা আপনারা ব্যাকলিংক কিভাবে তৈরি করতে ওই তার সম্মন্ধে একটু হলেও ধারণা করতে পেয়েছেন।আপনাদের যদি কোনো রকম সম্যসা থাকে বা আপনাদের কোথাও বুঝতে অবিধে হলে কমেন্ট করে জানাবেন। এই যেটিকে টিকে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
Comments
Post a Comment